এ জ্বালা এ যন্ত্রণা শব্দাশব্দ তোর

এ জ্বালা এ যন্ত্রণা শব্দাশব্দ তোর
গৌতম বাড়ই

মাঝে- মাঝে মাথাটাকে খামচে মেরে ধরি
আমায় বিবস্ত্র কর এইমাত্র
আমায় খাদ্য থেকে এমন কী বাস্ত্তচ্যূত কর
প্রাণ খুলে লিখতে চায় অনর্গল সময়
সেও তো ফেনার একটুকরো
ভেতরে জ্বলতে থাকে দাবানল
আমি গ্রাসাচ্ছদন করি
আর চোয়া ঢেঁকুরের সাথে ওঠে শব্দ
এ বড় মায়াবীজ্বালা
যে যে পুড়ছে সেই জানে বীভৎসতা
জ্বালা এ বড় জ্বালা
ঘুমোতে দেয়না উঠতে বসতে মুহূর্তে মুহূর্তে
পৃথিবীর এক একটা ঢেউ গিলে ঢেউ মারে
ভেতরে কখনও দোয়েলের শিস
খন্ডহরের ইঁট খসে পড়া গভীর রাতশব্দ
সরীসৃপের গা বেয়ে চলা ঘুঘুর ঝুমঝুমি
কামনা বাসনা যন্ত্রণা শুধু শব্দের তুলোগুঁজে
মন থেকে মনের মহাকাশ যাত্রায়
ভাবনা চৌচির হয়ে ফেটে পড়ে
অনামিকা চেয়ে থাকে আকাশের দিকে
আকাশ তাকিয়ে থাকে পায়ের গোড়ালির
ফুটিফাটা পা
এলোমেলো ওল্টাই বইয়ের পাতা
জঙ্গমে চাটামারে বাদামী হরিণ
হৃদয় কাঠবেড়ালি চাটে কচিঘাসপাতা
মন বাউল হয়ে নাকঘঁষে ধুলোয়
লিখতে পারিনা ফেটে পড়ি চৌচির
দায়বদ্ধতাকে বেজায় পিটুতে যাই
আর সময়কে খিস্তি সব যদি জানিস সুবুদ্ধু
নেশাটা কেন ধরালি শালা
মাথার ভেতর খিদের থালা বেড়ে দে!

আমি উলঙ্গে বুভুক্ষু শব্দে ফেটে- ফেটে
চৌচির হব দেখিস
এ পৃথিবীর কোষাগারে মহাশূন্য
তোকেই বলে যাচ্ছি শোন
এতই যখন লিখিস—-

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top